indiahood
indiahood

রাতের অন্ধকারে মহুয়াকে সার্কিট হাউস ছাড়ার নির্দেশ! কী হয়েছিল তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে?

2 hours ago

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফের রাজ্য প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হলেন কৃষ্ণনগরের (Krishnanagar) তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। রাতের বেলা আচমকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে ঘর খালি করার নির্দেশ ঘিরে তৈরি হল এক নয়া বিতর্ক। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল, শুক্রবার রাতে। মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করে জানান যে, রাতের বেলা কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসের (Circuit House) ঘর খালি করার জন্য নাকি তাঁকে রীতিমত চাপ দেওয়া হয়। তবে এখনও এই নিয়ে মুখ খোলেনি নদিয়া জেলা প্রশাসন।

মহুয়াকে ঘর ছাড়ার নির্দেশ!

কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র লাইভে জানিয়েছেন যে, তিনি গতকাল, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে গিয়েছিলেন এবং সেখানে তাঁকে একটি ঘর বরাদ্দ করা হয়। রাত ৯টা ২০ মিনিট নাগাদ তাঁকে ডিনার দেওয়া হয়। এরপর রাত প্রায় ১০টার সময় জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের তরফে আচমকা মহুয়াকে ঘর খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। মহুয়ার অভিযোগ, প্রথমে মৌখিকভাবে ঘর ছাড়ার জন্য বলা হলেও কিছুক্ষণ পর তাঁকে একটি আনুষ্ঠানিক নির্দেশও দেওয়া হয়। বারবার ফোন এবং মেসেজ করে ঘর খালি করার জন্য চাপও নাকি দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তিনি ঘর ছাড়তে অস্বীকার করেন।

চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন মহুয়া

ভিডিওতে মহুয়া মৈত্র আরও অভিযোগ করেন যে, রাতের বেলায় যেই সময় তাঁকে সার্কিট হাউস ছাড়ার জন্য জোর দেওয়া হচ্ছিল, সেই সময় নাকি বাইরে বেশ কিছু মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। রীতিমত তাঁরা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানও দিচ্ছিলেন এবং তাঁকে আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। যদিও তিনি কোনওভাবেই পিছু হটবেন না বলেও বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। এদিকে এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসা মাত্রই ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতির অন্দরে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের তরফে এখনও কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মহুয়া মৈত্র এদিন লাইভে তাঁর নিরাপত্তা সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশের কথাও উল্লেখ করেছিলেন।

আরও পড়ুন: শ্যামাপ্রসাদের ফলক সরিয়ে ফের বীরভূমের রাস্তা হল নেতাজির নামে

সাংসদ জানিয়েছেন যে, “কলকাতা হাইকোর্ট আমাকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে সেই প্রশাসনের পক্ষ থেকেই তাঁকে গভীর রাতে ঘর খালি করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।” এদিন মহুয়া নদিয়ার ডেপুটি কালেক্টরের একটি নির্দেশনা প্রকাশ্যে এনেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং অন্যান্য ব্যবস্থাপনার জন্য কৃষ্ণনগরের নদিয়া সার্কিট হাউস ১৪ আগস্ট সন্ধ্যার পর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের জন্য সার্কিট হাউসটি আর ব্যবহারের উপযোগী থাকবে না। কিন্তু ঘর দেওয়ার সময় তাঁকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা একটি ঘরই বরাদ্দ করা হয়েছিল। তাই আচমকা ঘর ছাড়ার নির্দেশ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন থাকছে।

Click here to Read More
Previous Article
নরেন্দ্র মোদী (প্রধানমন্ত্রী)
Next Article
স্বাধীনতা দিবসের দিনে গায়েব ককরোচদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট, বিস্ফোরক CJP চিফ

Related রাজনীতি Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment