indiahood
indiahood

আরজি কর কাণ্ডে কী কারণে গ্রেফতার প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়?

1 hour ago

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: খবরের শিরোনামে ফের উঠে এল আরজি কর কাণ্ড (RG Kar Case), মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন অভয়ার বাবা। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় নির্মল ঘোষকে (Nirmal Ghosh)। আর সেই গ্রেফতারির কয়েক ঘণ্টা পরেই অভিযুক্ত নির্যাতিতার প্রতিবেশী তথা প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কে (Sanjib Mukherjee) গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর দাবি, প্রতিবেশী হিসেবে পাশে থাকতে গিয়েই ফাঁপরে পড়েছেন তিনি।

গ্রেফতার নির্যাতিতার প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়

আরজি কর কাণ্ডে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। দেহ সৎকারে তাড়াহুড়োর অভিযোগে রুজু হয়েছে এফআইআর। তাতে অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে নাম উঠে আসে নির্যাতিতার প্রতিবেশী তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়। দু’বছর আগে, ঘটনার দিন নিহত চিকিৎসকের পরিবারের সঙ্গেই ছিলেন তিনি। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করতে ময়দানে নামে পুলিশ। প্রথমে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিচারিকার দাবি, গত তিন-চার দিন ধরে বাড়িতে নেই সঞ্জীববাবু। কাজের সূত্রে বাইরে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এরপরই গতকাল, বৃহস্পতিবার, রাতে পানিহাটি অম্বিকা মুখার্জী রোড সিআর পার্কের বাড়ি থেকে প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীবকে গ্রেপ্তার করে খড়দহ থানার পুলিশ।

অভিযোগ অস্বীকার সঞ্জীবের

জানা গিয়েছে, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মূলত, তথ্যপ্রমাণ লোপাট, বাড়ির লোককে বিপথে পরিচালনা করা, তড়িঘড়ি দেহ সৎকার, জোর করে বাড়ি থেকে মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া, এই ধরনের অভিযোগগুলি উঠেছে। এদিকে খড়দহ থানায় তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবের বেশ কিছু ‘অমিল’ রয়েছে বলে দাবি করেন সঞ্জীব। তাঁর দাবি, কোথাও একটা ‘ভয়ঙ্কর ভুল’ হচ্ছে এবং সেই ‘ভুলের’ শিকার তিনিও হচ্ছেন। ‘আফসোস’ করে বলছেন, “সে দিন যদি অন্য দশজনের মতো বাড়িতে বসে টেলিভিশনে পুরো ঘটনাটা দেখতাম, তা হলে হয়তো আজ এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হত না।”

আরও পড়ুন: বঙ্গবিভূষণ কেড়ে নিতেই নেতাজি ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন অনন্ত মহারাজ, দায়ের হল FIR

নির্যাতিতার প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের দাবি, “দেহ বাড়িতে পৌঁছোনোর পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গাড়িতে করে শ্মশানে যান তিনি। ওই গাড়িতে তাঁর সঙ্গে ছিলেন নিহত চিকিৎসক-ছাত্রীর মা-বাবা, গাড়িচালক এবং অন্য এক প্রতিবেশী। এছাড়াও ওই দিন শ্মশানে পুলিশ আধিকারিক থেকে শুরু করে বিধায়ক, চেয়ারম্যান-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। যদি নতুন করে তদন্তে তাঁর কোনও গাফিলতি বা ভুল ধরা পড়লে আমি শাস্তি মাথা পেতে নেব, কিন্তু ভুল অভিযোগ কিছুতেই স্বীকার করব না।” এখন দেখার এই ঘটনার মোড় কোন দিকে এগোয়।

Click here to Read More
Previous Article
সুমিত রায়ের গ্রেফতারি নিয়ে বড় আপডেট, সিদ্ধান্ত বদলাল না সুপ্রিম কোর্ট
Next Article
সংখ্যালঘুদের জন্য রাজ্যে চালু হল ‘শিল্প কুঞ্জ’, কী সুবিধা মিলবে?

Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment