indiahood
indiahood

বাংলার শিল্পী পেলেন বিরল স্বীকৃতি, জাতীয় রেল সংগ্রহশালায় ঠাঁই পেল চন্দননগরের হস্তশিল্প

1 week ago

অনন্যা সরকার, হুগলি: এই বাংলায় শিল্পকলার অভাব নেই। বাঁকুড়ার পোড়া মাটির কাজ থেকে শুরু করে পুরুলিয়ায় পটচিত্র কিম্বা কৃষ্ণনগরের মাটির পুতুল – পশ্চিমবঙ্গের হস্তশিল্প পৌঁছে গেছে জাতীয় থেকে আন্তর্জাতিক দরবারে। এবার চন্দননগরের স্বনামধন্য হস্তশিল্পী গণেশ ভট্টাচার্যের তৈরি শিল্পকলাকে ভারতীয় রেল (Indian Railways) দিল বিশেষ সম্মান। শিল্পীর তৈরি রেল ইঞ্জিনের মডেলটি এখন দিল্লির জাতীয় রেল সংগ্রহালয়ে (National Rail Museum) স্থায়ী প্রদর্শনীর জন্য স্থান করে নিয়েছে। গণেশ ভট্টাচার্যের এই স্বীকৃতি চন্দননগর সহ সারা বাংলার গৌরবের কারণ হয়ে উঠেছে। 

বাংলার শিল্পীর বিরল সম্মান

হুগলির চন্দননগরের বাসিন্দা হস্তশিল্পী গণেশ ভট্টাচার্যের তৈরি ভারতীয় রেলের বিখ্যাত ‘WDP-4 লোকোমোটিভ ডিজেল ইঞ্জিন’-এর মডেলটি দিল্লির বিশ্ববিখ্যাত জাতীয় রেল সংগ্রহালয়ে স্থায়ীভাবে প্রদর্শিত হবে। শুধুই সাজিয়ে রাখার জন্য নয়, ইতিহাস ও প্রকৌশলের মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন গণেশবাবু তাঁর শিল্পকীর্তিতে। তাই বাংলার শিল্প এখন দেশের দরবারে গর্বের কারণ হয়ে উঠেছে। শিল্পীর এই শিল্পকর্মকে সংগ্রহশালায় পাকাপাকিভাবে স্থান করে দেওয়ার পাশাপাশি সংগ্রহালয়ের পক্ষ থেকে সহকারী আধিকারিক গণেশ ভট্টাচার্যকে একটি আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র দিয়েও সম্মানিত করেছেন।

আরও পড়ুনঃ নবান্নের পর গেরুয়াময় হচ্ছে বিকাশ ভবন, শুরু তোড়জোড়

দেশের রাজধানীতে প্রতিদিন দেশ-বিদেশ থেকে হাজার হাজার পর্যটক আসেন। এরকম বহু পর্যটক ও রেলপ্রেমীরা রেল মিউজিয়ামে এসে বাংলার শিল্পীর তৈরি এই অনন্য সৃষ্টিকর্মটি প্রত্যক্ষ করবেন, যা নিঃসন্দেহে বাংলার কাছে গর্বের বিষয়। পাশপাশি, রাজ্যের উদীয়মান শিল্পী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও এটি একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। 

আরও পড়ুনঃ ২৫০ কোটি বিনিয়োগ, থাইল্যান্ডের সংস্থার সাথে মিশে কলকাতায় খুলছে ই-স্কুটার কারখানা

বাংলার চিরাচরিত কুটির শিল্প ও বাঁশশিল্পকে আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রকৌশলের সঙ্গে যুক্ত করে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন শিল্পী গণেশ ভট্টাচার্য। চরম প্রতিকূলতার মাঝে নিজের শিল্পচর্চা চালিয়ে গিয়েছেন তিনি, আজ যার জন্য জাতীয় স্বীকৃতি পেলেন। এই সাফল্যের প্রসঙ্গে গণেশ ভট্টাচার্য বলেন, “আমি দাবী করে বলতে পারবো না, বর্তমান সময়ে একজন বাঙালি হিসাবে বাকী বাঙালি সমাজকে মুগ্ধ করতে পারলাম কিনা.. তবে নিজের বাসস্থান গৌরবের চন্দননগরকে অবশ্যই উজ্জ্বল করতে পেরেছি।”

Click here to Read More
Previous Article
WhatsApp, Telegram-কে টেক্কা দিয়ে Arattai নিয়ে এল আধার ভেরিফিকেশন
Next Article
অভয়ার বাবা-মায়ের দাবি মেনে তদন্তকারী অফিসার বদলে ফেলল CBI, দায়িত্ব পেলেন ইনি

Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment