indiahood
indiahood

বাড়ি পিছু ১২০০ টাকা কর, পঞ্চায়েতের আয় বাড়াতে নির্দেশ জারি রাজ্য সরকারের

6 days ago

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ক্ষমতায় বিজেপি আসতেই এবার রাজ্যে পঞ্চায়েতের নিজস্ব আয় (Panchayat Revenue) বাড়াতে SOP জারি করল দফতর। জানা গিয়েছে, এখন থেকে বাড়ি পিছু কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হবে ১২০০ টাকা। প্রতিটি পঞ্চায়েতে সংগৃহীত রাজস্ব সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের মোট পরিবারের সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে পরিবারপিছু বছরে কত আয় করে, তা জানা যায়। এমতাবস্থায় পঞ্চায়েতের (Panchayat) আর্থিক পরিকাঠামো শক্তিশালী করার উপর বাড়তি গুরুত্ব দিতেই এবার নয়া উদ্যোগ নিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার (Government Of West Bengal)।

কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হল ১২০০ টাকা

প্রতিটি পঞ্চায়েত তার নিজস্ব সম্পদ এবং বাসিন্দাদের সম্পত্তি কর থেকেই রাজস্ব আদায় করে থাকে। সেই হিসেবে রাজ্যের মোট ৩৩৩৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা ১ কোটি ৯২ লক্ষ পরিবার থেকে বছরে আয় হয় ৪৫১ কোটি টাকা। অর্থাৎ পরিবার পিছু বছরে আয় হয় মাত্র ২৩৩ টাকা। এবার সেই আয় বৃদ্ধির টার্গেট আরও ৯৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ বছরে আয় হবে ১২০০ টাকা। রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে গ্রামবাসীদের কর জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঠিক হওয়ার পর আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতকে কর সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে।”

বকেয়া কর আদায়ের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি

দফতরের তরফে এও জানানো হয়েছে যে করদাতাদের সুবিধার জন্য প্রয়োজনে অফলাইনে টাকা জমা নেওয়ার ব্যবস্থাও করতে হবে। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাঁরা কর জমা দেবেন না, তাঁদের তালিকা তৈরি করতে হবে পঞ্চায়েতকে। আর সেই তালিকা প্রকাশের পর আরও ১৫ দিন সময় দেওয়া হবে, যদি এর পরেও কেউ বকেয়া কর না মেটান, তা হলে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে। অর্থাৎ, বকেয়া কর আদায়ের ক্ষেত্রে যে আরও কড়াকড়ি হতে চলেছে প্রশাসন তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। এছাড়াও এই কর আদায় প্রক্রিয়ায় প্রশাসন এলাকায় একাধিক শিবির গড়ার পরামর্শ দিয়েছে। এবং স্থানীয় বিধায়কদেরও এই কাজে যুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছে।

আরও পড়ুন: মিলল না স্বস্তি, তৃণমূলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

প্রসঙ্গত, রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই প্রশাসনের নানা স্তর থেকে একাধিক অভিযোগ উঠে আসছে। যার মধ্যে অন্যতম হল পঞ্চায়েত দফতর। সেখানে কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে গিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশ কিছু সমস্যা নিয়ে সরাসরি মুখ খুলেছিলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, বহু গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নিয়মিত অফিসে না আসায় দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে পঞ্চায়েতের সঠিক পরিষেবা প্রদান করতে যেমন অসুবিধা হচ্ছে ঠিক তেমনই রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে। আর এবার সেই সব কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নিল সরকার।

Click here to Read More
Previous Article
মন্ত্রী উমেশ রাইয়ের ছেলেকে অপহরণের ছক, STF-র জালে জঙ্গি হামিম ঘনিষ্ঠ আদিত্য
Next Article
বাংলায় বন্ধ ফ্রিতে বাস যাত্রা? বাধ্যতামূলক পিঙ্ক কার্ড? | Pink Card | Free Bus Ride In West Bengal

Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment