indiahood
indiahood

এবার এয়ারলাইন্স ব্যবসায় নামছে আদানি গ্রুপ? দাপট কমবে Indigo ও Air India’র

2 weeks ago

অনন্যা সরকার, নয়াদিল্লি: কেন্দ্র সরকার বিমানবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলিকে বিমান সংস্থা চালু করার অনুমতি দেবে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এর ফলে আদানি গ্রুপ (Adani Group) এবং জিএমআর এয়ারপোর্টস (GMR Airports)-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য এয়ারলাইনের (Airlines) ক্ষেত্রে প্রবেশের পথ প্রশস্ত হতে পারে বলে আশা করা যায়। সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট থেকে জানা  গেছে যে, সরকার এই বিষয়ে নীতি পরিবর্তনের কথা বিবেচনা করছে। বর্তমানে ইন্ডিগো (Indigo) এবং এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) এয়ারলাইন্স সেক্টরে আধিপত্য বিস্তার করে রয়েছে। ইন্ডিগোর মার্কেট শেয়ার ৬৬.৩% পৌঁছেছে। এই আধিপত্য ভাঙাই লক্ষ্য সরকারের। 

নতুন বিমান সংস্থা চালু করতে পারে বিমানবন্দর পরিচালনাকারীরা

কেন্দ্রীয় সরকারের বর্তমান নীতি অনুযায়ী, কোনো বিমান সংস্থায় ১০%-এর বেশি অংশীদারিত্ব রাখার অধিকার নেই বিমানবন্দর পরিচালনাকারী সংস্থাগুলির। তবে, এই নীতিতে শীঘ্রই বদল আসতে পারে। সূত্র মারফৎ জানা গেছে, বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকে (Ministry of Civil Aviation) এই নিয়ে আলোচনা চলছে। যেকোনো ধরনের নিয়মের শিথিলতার জন্য আইন মন্ত্রক এবং মন্ত্রিসভার অনুমোদনের দরকার হবে। মালিকানা সম্পর্কিত বিধিনিষেধ শিথিল করা হলে আদানি গ্রুপ এবং জিএমআর এয়ারপোর্টসও বিমান সংস্থার মালিক হতে পারবে।

আরও পড়ুন: ‘মানব সভ্যতার সূচনা ভারতেই!’ গুজরাটের প্রাচীনতম বন্দর দেখিয়ে দাবি ব্রিটিশ ঐতিহাসিকবিদের

আদানি গ্রুপ বর্তমানে মুম্বাই বিমানবন্দর সহ আরও সাতটি বিমানবন্দরের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে। অন্যদিকে, জিএমআর এয়ারপোর্টস দিল্লি বিমানবন্দরের পাশপাশি আরও চারটি বিমানবন্দর পরিচালনা করে। সরকারের নয়া নীতির লক্ষ্য হল এয়ারলাইন্সের মার্কেটে প্রতিযোগিতা বাড়ানো। বর্তমানে, ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়া ভারতীয় বিমান চলাচলের বাজারের প্রায় ৯০%-ই নিজেদের হাতে রেখেছে। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে দুই প্রধান বিমান সংস্থার আধিপত্য কমতে পারে, কিন্তু এতে নতুন করে ভারসাম্যহীনতা তৈরির ঝুঁকিও থেকে যায়। অর্থাৎ, যদি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সেরা স্লটগুলো তাদের নিজস্ব বিমান সংস্থাকে বরাদ্দ করে, তাহলে অন্যান্য সংস্থাগুলিয়ে ব্যবসায় ক্ষতি হবে। 

আরও পড়ুন: জাতিগত শংসাপত্র যাচাইয়ে জমির দলিল বাধ্যতামূলক নয়, স্পষ্ট নির্দেশ রাজ্যের

প্রসঙ্গত, গত দশ বছরে ভারতীয় বিমান সংস্থার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জেট এয়ারওয়েজ (Jet Airways) এবং গো এয়ারলাইন্স (Go Airlines) ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়া বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম ভারতের এভিয়েশন মার্কেটে একপ্রকার রাজ করতে শুরু করেছে। আকাসা এয়ার (Akasha Air) এবং স্পাইসজেট লিমিটেড (Spicejet Limited) টিকে থাকার জন্য মরিয়া সংগ্রাম করে চলেছে। জানিয়ে রাখি, গত বছর ডিসেম্বরে ইন্ডিগো হঠাৎ বাতিল করে দেয় তাদের হাজার হাজার ফ্লাইট। এতে চরম সমস্যার সম্মুখীন হন যাত্রীরা। এই ধরনের পরিস্থিতি যাতে আর তৈরি না হয়, তারই প্রচেষ্টায় রয়েছে ভারত সরকার। আগামী ২০৪৭ সালের মধ্যে এদেশে বিমানবন্দরের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে ৩৫০ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার অনুমান ২০৪৪ সালের মধ্যে এদেশের বিমানে যাত্রী সংখ্যা আরও ৪২ কোটি ৫০ লাখ বৃদ্ধি পেতে পারে।

Click here to Read More
Previous Article
বসবেন কোহলিদের পাশেই! জিম্বাবুয়ে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ইতিহাস গড়ার সুযোগ অভিষেকের
Next Article
ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট মুছে ফেললেন ধর্মেন্দ্র প্রধানের কন্যা নৈমিশা

Related ভারত Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment