indiahood
indiahood

এদিনের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র প্রথম কিস্তি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর কর্মীদের হাতে এল রিপোর্ট

1 hour ago

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দুর্গাপুজোর আগেই অবশেষে কপাল খুলতে চলেছে বাংলার সরকারি কর্মীদের বলে মনে হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের তরফে এসে গেল গুরুত্বপূর্ণ একটি রিপোর্ট। বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা (Dearness Allowance) সংক্রান্ত তিনটি রিপোর্ট হাতে পেতে পেলেন সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলি। আর এই এই রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার তরফে। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court of India) নির্দেশে গঠিত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি জানিয়েছে, যাঁদের ই-সার্ভিস বুক ডিজিটালভাবে স্ক্যান ও আপলোড সম্পূর্ণ হয়েছে, তাঁদের ২০০৮-২০১৫ সালের বকেয়া DA-র প্রথম কিস্তি আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। এই নিয়ে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন ডিএ মামালকারী তথা কনফাডেরেশন অফ স্টেট গভ: অফ এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়।

ডিএ নিয়ে অবশেষে সুখবর?

জানা গিয়েছে, প্রথম দফায় মোট ৬৪,৭৫৯ জন কর্মচারী এই অর্থ পাবেন। আরও ১,৩৩,৯৯১ জনের ই-সার্ভিস বুক আপডেটের কাজ চলছে। পুরনো নথি ও তথ্যের ঘাটতির কারণে হিসাব তৈরিতে সময় লাগছে বলে রাজ্য সরকার জানিয়েছে। মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee) একটি ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, ‘রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগে ৭-৮ বার ইন্দু মালহোত্রার কমিটি মিটিং করেছে। কিন্তু একটা রিপোর্টও আমরা পাইনি। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের আইনজীবী বারবার কমিটির কাছে মেল করেছে। কোনও কপি পাইনি। সম্প্রতি এই নিয়ে আমরা নালিশ জানালে কমিটি রিপোর্টটি দেয় আমাদের।’

আরও পড়ুনঃ কৌশিকী অমাবস্যায় তিন দিন তারাপীঠে বন্ধ মদের দোকান, নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত প্রশাসনের

তিনি আরও জানান, ‘এই রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে সওয়াল জবাব হবে ১৮ আগস্ট। কত কী টাকা আমরা আদায় করে আনতে পারব সেটা পরবর্তী সময়েই বোঝা যাবে। কেএমসি এলাকায় বসবাসকারী পেনশনারদের ব্যাপারে ভাবলে খারাপ লাগে। সরকার একটাবারও তাঁদের কথা ভাবছে না। ১ জুন মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম আপনি দেখুন যে কেএমসি এলাকায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ২০০৮ সালের আগে তাঁরা অবসর নিয়েছেন। তাদের টাকাটা দিয়ে দিন।’

কী করবে সরকার?

২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া DA-র মোট পরিমাণ প্রায় ১১,৯৮৩ কোটি টাকা। রাজ্যের আর্থিক চাপের কথা মাথায় রেখে ধাপে ধাপে এই অর্থ মেটানোর রোডম্যাপ তৈরি করছে মনিটরিং কমিটি। মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম কমিটির সময়সীমাকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন, রাজ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কর্মচারীদের পাওনা মিটিয়ে দেবে।

Click here to Read More
Previous Article
কৌশিকী অমাবস্যায় তিন দিন তারাপীঠে বন্ধ মদের দোকান, নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত প্রশাসনের
Next Article
শেষ হচ্ছে শিলিগুড়ি ও সিকিমের মধ্যকার লাইফলাইন, ভূমিধসে উত্তরবঙ্গ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা

Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment