indiahood
indiahood

অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকায় ছাতা কিনে ট্রাফিক পুলিশদের দান, মানবিক উদ্যোগ দুর্গাপুরের মহিলার

1 month ago

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গরমের মরশুমে নজরকাড়া দারুণ উদ্যোগ নিলেন এক গৃহবধূ! অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকায় কর্মরত সিভিক ভলেন্টিয়ারদের প্রখর রোদ্দুর থেকে বাঁচতে উপহার দিলেন ছাতা। গড়ে তুললেন মানবিকতার এক অনন্য নজির। মনুষ্যত্ব হল মানুষের শাশ্বত স্বভাব। মায়া-মমতা, ভালবাসা, পরোপকারিতা, সহানুভূতি সবকিছু মিলিয়েই তৈরি হয় মনুষ্যত্ব বোধ, যা আজও মানুষকে সঠিক পথে চালনা করার দিশা দেয়। এবার সেই কথা মাথায় রেখে এগিয়ে এলেন দুর্গাপুরের (Durgapur) এক গৃহবধূ।

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দিয়ে ছাতা উপহার

এই অসহ্য তীব্র গরমে মাথার উপর প্রখর রোদ গা হাত পা ঝলসে দিলেও রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন ট্রাফিক পুলিশ সহ সিভিক ভলান্টিয়াররা। আর সেই দৃশ্য সত্যিই খুব কষ্টকর। তাই এবার এই কষ্ট দেয় করতে এগিয়ে এলেন এক গৃহবধূ। প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, দুর্গাপুরে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের মুচিপাড়া মোড়ে, কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ এবং সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে পাওয়া টাকা দিয়ে ছাতা কিনে আনেন মৌসুমী ঘোষ নামে এক গৃহবধূ। যা দেখে খুব খুশি সকলে। জানা গিয়েছে, তার ছোট একটি স্টেশনারি দোকান রয়েছে এবং সে বরাবরই সামাজিক কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন।

কী বলছেন গৃহবধূ?

গৃহবধূ মৌসুমী ঘোষ জানান, “বরাবরই আমি এই রাস্তা ধরে কাজের উদ্দেশ্যে বেরোই, আর রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময়ই প্রায়ই দেখি ট্রাফিক পুলিশ দীর্ঘক্ষণ ধরে রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে কাজ করছেন। খুব কষ্ট লাগত তাঁদের দেখে যে আমাদের সুবিধার্থে দিন রাত এক করে তাঁরা তুমুল গরমের মধ্যেও কাজ করে চলেছে। তাই এক মুহূর্তও দেরি না করে আমি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা দিয়ে নিজের হাতে একটি ছাতা তুলে দিই সকলকে।” শুধু একবার নয়, এলাকাবাসীর দাবি, প্রায় প্রতিদিনই যখনই তিনি ওই ট্রাফিক পুলিশকে প্রখর রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন, তখনই ছাতা নিয়ে এগিয়ে আসেন। তাঁর এই উদ্যোগ সকলকে অবাক করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: বিধাননগর পুরসভায় মিলল গোপন বেডরুম, কন্ডোম! ক্ষোভ প্রকাশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রসঙ্গত, গত সোমবার, বাজেট ঘোষণার সময় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছিলেন, “পূর্বতন সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও অন্নপূর্ণা যোজনার মধ্যে একটা পার্থক্য রয়েছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ছিল ইউনিভার্সাল, যেখানে সব মহিলাই টাকা পেতেন। যেমন আমার স্ত্রী‌ও চাইতে পারতেন। কিন্তু অন্নপূর্ণা যোজনাতে আমরা অন্য উদ্যোগ নিচ্ছি, যাঁদের সত্যিই প্রয়োজন, তাঁরাই যেন এই প্রকল্পের সুবিধা পান সেটাই দেখার।”

Click here to Read More
Previous Article
বিধাননগর পুরসভায় মিলল গোপন বেডরুম, কন্ডোম! ক্ষোভ প্রকাশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
Next Article
অপারেশনের সময় ভুল করে কেটে দেয় অন্য শিরা! ‘আল্লাহর ইচ্ছে’ বলে দায় এড়ালেন ডাক্তার

Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment