indiahood
indiahood

টাইফয়েড আক্রান্ত ককরোচ প্রধান, আন্দোলন বন্ধ? বার্তা অভিজিৎ দীপকের

2 weeks ago

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে উত্তপ্ত গোটা দেশ। তবে সেই দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke) এবার টাইফয়েড আক্রান্ত। আজ অর্থাৎ শনিবার সকালে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। কিন্তু হ্যাঁ, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তিনি অসুস্থ অবস্থাতেও অনশন চালিয়ে যাবেন বলেই স্পষ্ট বার্তা দেন। এমনকি ওই ভিডিও বার্তায় দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ পরিচালনার জন্য সিজেপি সমর্থকদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।

অসুস্থ অভিজিৎ দীপকে

নিটের প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে উত্তপ্ত রাজধানী। এমনকি সেই আন্দোলনের ঢেউ অন্যান্য রাজ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে চলছে এই আন্দোলন। যদিও কেন্দ্রের তরফ থেকে ইতিমধ্যেই ইতিবাচক আশ্বাস মিলেছে। তবে সোনম ওয়াংচুকের পর অনশনে বসেছেন খোদ ককরোচ প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ। তারই মধ্যে নিজে অসুস্থ হয়ে পড়লেন নেতা। আজ ভিডিও বার্তায় তিনি জানান, “সবাইকে হ্যালো। গত কয়েকদিন ধরে আমার শরীর খুব একটা ভালো ছিল না। আজ রক্তের রিপোর্ট এসেছে। আর সেখানে আমার টাইফয়েড ধরা পড়েছে। আমার চিকিৎসা চলছে। আমাকে প্রতিদিন সকালে এবং সন্ধ্যায় আই আইভি ড্রিপ দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, “কিন্তু আমি সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদরত সমস্ত ককরোচ সমর্থকদের আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আপনারা এই আন্দোলনকে এতটা সাফল্যমন্ডিত করেছেন। সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এই আন্দোলনকে এতটা সাফল্য করার জন্য সবাইকে অভিনন্দন। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।”

আরও পড়ুন: কলকাতায় পুলিশ-সাংবাদিকদের উপর হামলায় গুন্ডাদমন আইনে ব্যবস্থা, চিহ্নিত ৭০ জন

যদিও সোনম ওয়াংচুকের অনশন ভাঙার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক্স হ্যান্ডেলে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে লেখেন, “সোনমজিকে অনুরোধ জানাই যেন তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলেন। দ্রুত দৈনন্দিন জীবনে ফিরুন এবং স্বাভাবিক ওজনে ফিরে আসুন।” পাশাপাশি ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁস কোনও সাধারণ বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক দোষীকে কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে। এর জন্য প্রত্যেক রাজ্যে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গতকাল মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে কম করে ১০ বছরের জেল এবং ১০ কোটি টাকা জরিমানা করা হবে।

Click here to Read More
Previous Article
কলকাতায় পুলিশ-সাংবাদিকদের উপর হামলায় গুন্ডাদমন আইনে ব্যবস্থা, চিহ্নিত ৭০ জন
Next Article
আইসোলেশনে চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে শাবানা

Related ভারত Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment