indiahood
indiahood

ভবানীপুরের ৮৮ বছরের পুরনো পুজো জবরদখল তৃণমূলের, উদ্ধারের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি

1 hour ago

সৌভিক মুখার্জী, ভবানীপুর: দুর্গাপুজোতেও দুর্নীতি তৃণমূল কংগ্রেসের। ভবানীপুরে (Bhowanipore) তৃণমূলের নেতাদের কাছ থেকে দুর্গাপুজো কমিটি উদ্ধারের দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ এলাকাবাসী। আসলে ভবানীপুর এলাকার অন্যতম পুরনো পুজো নবারুণ সংঘের শারদ উৎসব। তবে ২০১১ সালের পর থেকে এই পুজো কমিটি জোরপূর্বক দখল করে নেয় স্থানীয় তৃণমূল নেতা। রাজ্যে সরকারের পালাবদল হতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিজের বিধানসভা এলাকার এই পুজো তৃণমূলের হাত থেকে উদ্ধারের দাবি জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন এলাকাবাসী।

ভবানীপুরের পুজো উদ্ধারের দাবি

১৯৩৯ সালে এই পুজো কমিটির সূচনা। তবে ২০১১ সালের পর তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের মাধ্যমে রাকেশ সাউ ওরফে ভিকি নামের এক কর্মী এই পুজো কমিটি দখল করে নেন। তবে তারপর থেকেই বিভিন্নভাবে এই দুর্গাপুজো নিয়ে তোলাবাজি চলত। এমনকি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তৃণমূলের বিধায়ক মদন মিত্র থেকে শুরু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপন ভাই বাবুন বন্দোপাধ্যায় এবং ৭১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি বাবুল সিংহের ছত্রছায়ার মাধ্যমেই এলাকাবাসীদেরকে বাদ দিয়ে ভিকি নামের ওই তৃণমূল কর্মী পুজো দখল করে নেন। তবে এবার পুজোর আগে কমিটি পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ তাঁরা।

চিঠিতে অভিযোগ জানানো হয়েছে, এই পুজো কমিটি সরকারি অনুদানের কোনও হিসাব এতদিন পর্যন্ত দেয়নি। এলাকার সাধারণ বাসিন্দাদেরকে পুজোর আয়োজন থেকে দূরে রাখা হত। এমনকি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদার নামে মোটা অংকের তহবিল আদায় করা হত। সেই কারণে এই পুজো কমিটি পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এমনকি ভিকি এবং তাঁর এক দাদা নবারুণ সংঘকে নিজেদের হাতে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। এছাড়া রাস্তা আটকে প্যান্ডেল করার মতো অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে।

আরও পড়ুন: কলকাতায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দেবে ৯০ দেশের ৭০০ কোম্পানি, সাজছে তিলোত্তমা

এতদিন ভবানীপুরের বিধায়ক ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এবারের নির্বাচনের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে গো হারা হেরে বিধায়কের পদটুকুও গিয়েছে তাঁর। এই পুজো কমিটির পিছনে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর হাতও থাকতে পারে বলে অভিযোগ। এক ব্যক্তির কথায়, “রাস্তা আটকে প্যান্ডেল করা হত। গভীর রাত পর্যন্ত বিকট শব্দে অনুষ্ঠান চলে। মদ্যপ অবস্থায় উৎপাত। অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে পর্যন্ত সমস্যা হত। এমনকি পুজোর বিসর্জন ইচ্ছাকৃতভাবে দেরিতে করা হত। আর এই পুজোর আয়োজন থেকে সব সময় এলাকাবাসীকে দূরে রাখা হত। তাই আমরা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়ে এই পুজো কমিটি পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়েছি।”

Click here to Read More
Previous Article
“অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না, বরাদ্দ বাড়াব”, বড় আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর
Next Article
অন্নপূর্ণার টাকা আটকে যাওয়ার ৫ বড় কারণ, আগেভাগে জেনে নিন

Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment