indiahood
indiahood

“বাবার টাকায় নয়…” তাহলে কীভাবে বিদেশে পড়াশোনা করলেন অভিজিৎ? দিলেন প্রমাণ

6 days ago

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামান্য একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী হয়ে ছেলেকে কীভাবে আমেরিকায় উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠান, এই অভিযোগে অভিজিৎ দীপকের (Abhijeet Dipke) বাবার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন প্রখ্যাত আরটিআই কর্মী। পাশাপাশি ককরোচ জনতা পার্টি খাতায়-কলমে কোনও রাজনৈতিক দল না হওয়া সত্ত্বেও তাদের ফান্ডে কীভাবে টাকা আসে এই অভিযোগও করেন তিনি। তবে এবার ককরোচ প্রধান অভিজিৎ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন, বিদেশে পড়াশোনার খরচ তিনি তাঁর বাবার টাকায় চালাতেন না। বরং, মেধার জেরে স্কলারশিপের মাধ্যমেই তিনি এই খরচ চালাতেন।

কীভাবে বিদেশে পড়াশোনা করতেন অভিজিৎ?

আসলে মহারাষ্ট্রের এক অতি সাধারণ পরিবারে জন্ম অভিজিৎ দীপকের। তাঁর বাবা পেশায় একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। যদিও এখন অবসরপ্রাপ্ত। জানা যায়, মহারাষ্ট্রের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনে জুনিয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে দায়িত্ব সামলাতেন তিনি। সেখান থেকে মাসে মোটামুটি ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা বেতন পেতেন অভিজিতের বাবা। তবে এই সামান্য টাকায় কীভাবে অভিজিৎ বিদেশে পড়াশোনা করতে পারলেন, সেই অভিযোগ তুলেই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারি। তাঁর দাবি ছিল, অভিজিতের বাবার আর্থিক উৎস তদন্ত করে দেখার।

তবে সেই দাবির একেবারে সপাট জবাব দিলেন ককরোচের প্রধান। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, “আমার পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছে বস্টন ইউনিভার্সিটি। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপের মাধ্যমেই আমি উচ্চশিক্ষার জন্য পড়াশোনা করেছি। এর পাশাপাশি শিক্ষা লোন নিয়েছিলাম। আর এবার সেটা ফেরত দেওয়ার সময় এসেছে।” এমনকি শুধুমাত্র কথা নয়, বরং অভিজিৎ নিজের স্কলারশিপের নথিও প্রকাশ্যে এনেছেন। সেখানে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, স্কলারশিপ বাবদ ১২,৫০০ ডলার করে তিনি তিনবার স্টাইপেন্ড পেয়েছেন।

আরও পড়ুন: চুঁচুড়ায় নবজাতককে রাস্তায় ফেলে পালাল পরিবার, ফুটফুটে শিশুকে লালনে এগিয়ে এল অনেকেই

এদিকে ওই আরটিআই কর্মীর দাবি ছিল, ককরোচ জনতা পার্টির ফান্ডে প্রবীন আইনজীবী কপিল সিব্বল ১ কোটি টাকা দিয়েছেন, শুধুমাত্র আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য। এর পাশাপাশি আন্দোলন চলাকালীন তারা বিদেশি অনুদান পাচ্ছিলেন বলেও দাবি করেন অমিত তিওয়ারি। এই সমস্ত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। তবে এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অভিজিৎ স্পষ্ট জানান, “কীসের বিদেশী সাহায্য? আমাদের সাহায্য করেছে সাধারণ মানুষ। খাবার দাবার দিয়েছে। এমনকি দিল্লি পুলিশের কেউ কেউ নিজের পরিচয় গোপন করেই আমাদের দিকে জলের বোতল এগিয়ে দিয়েছে। তাঁরা সবাই চেয়েছেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্নীতিমুক্ত করতে। আর আমরা আমাদের আন্দোলন জয়লাভ করতে পেরেছি।”

Click here to Read More
Previous Article
ফিট বুমরাহকে কেন শ্রীলঙ্কা সিরিজ থেকে বাদ দিল BCCI? প্রকাশ্যে বড় তথ্য
Next Article
‘রাতারাতি পরিবর্তন অসম্ভব!’ রাজ্য থেকে তোলাবাজি সংস্কৃতি উচ্ছেদে শমীক ভট্টাচার্যের স্বীকারোক্তি

Related ভারত Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment