indiahood
indiahood

পিছিয়ে থেকেও ৪-১ গোলে জয়, যুবভারতীতে কুয়েতের দলকে ‘পুঁতে’ ফেলল ইস্টবেঙ্গল

1 hour ago

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) আছে ইস্টবেঙ্গলেই। এসিএল টু কোয়ালিফায়ারে কুয়েত লিগের দুর্ধর্ষ দল আল-আরবির বিরুদ্ধে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত দুরন্ত লড়াই করে জয় হাসিল করল লাল হলুদ ব্রিগেড। ম্যাচের আগে চিন্তা ছিল, বিদেশীদের বিরুদ্ধে আদৌ জিততে পারবে তো ইন্ডিয়ান সুপার লিগের চ্যাম্পিয়নরা? শেষ পর্যন্ত নিরব থেকে কাজের মাধ্যমে সেই উত্তর দিল আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের ছেলেরা। বুঝিয়ে দিল, ঘরের মাঠে তাঁদের জোর কতটা। শহর কলকাতার বুকে দূর দেশের দলকে 4-1 গোলে হারিয়েছে মশাল সেনা।

ইস্টবেঙ্গলের জয়ে উচ্ছ্বসিত ভক্তরা

বুধবার ম্যাচ শুরু হতেই, প্রতিপক্ষের সামনে গোল করার সুযোগ পেয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তবে সেই সুযোগকে গলে রূপান্তরিত করতে পারেনি তারা। এরপর ফের সুযোগ তৈরি করেও তা কাজে লাগেনি। 23 মিনিটের মাথায় অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিল লাল হলুদ। এভাবেই প্রথমার্ধে লড়াই পাল্টা লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে গোলশূন্য অবস্থায় মাঠ ছেড়েছিল দু’পক্ষ। তবে ম্যাচের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হতেই যেন জমে উঠেছিল খেলা।

50 মিনিটের পর থেকে জোরালো আক্রমণ চালিয়েছিল লাল হলুদ। প্রতিপক্ষ দলও হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয়। তারাও ক্রমাগত ডিফেন্ড করে গিয়েছে। এভাবেই খেলা যখন 75 মিনিটে গড়ায় নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনে লাল হলুদ। নিজেদের বক্সের মধ্যেই মালেকোকে ফাউল করেন সন্দীপ মাণ্ডি। তাতেই পেনাল্টি পেয়ে যায় কুয়েত লিগের দলটি। আর সেই সুযোগের পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করেন নাইজিরিয়ান ফুটবলার ইওয়ালা। প্রথম গোল খেয়ে একেবারে হন্যে হয়ে পাল্টা তার শোধ দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালায় ইস্টবেঙ্গল ব্রিগেড।

অবশ্যই পড়ুন: বিমানে কেন ফোন চালু রাখা যায় না? জেনে নিন আসল কারণ

খেলা যখন 89 মিনিটের চলে গেছে, জয় গুপ্তার গোলে ম্যাচে সমতা ফেরায় ইস্টবেঙ্গল। আর সেই 1-1 সমতায় শেষ হয়েছিল পূর্ণ সময়ের খেলা। এরপর অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচ শুরু হতেই গোলের বন্যা বইয়ে দেয় ইস্টবেঙ্গল। 108 মিনিটে বিপিনের পা থেকে দ্বিতীয় গোল পায় লাল হলুদ তিন নম্বর গোল করে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেন সুপার-সাব ডেভিড হমার। এখানেই যেন ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। তবে ইস্টবেঙ্গল থামেনি। 120 মিনিটে পৌঁছেও গোল করে প্রতিপক্ষের কফনে শেষ পেরেক পুঁতে দিয়েছিল লাল হলুদ। ইস্টবেঙ্গলের জয় সূচক গোলটি অবশ্য এসেছিল বদলি হয়ে আসা খেলোয়াড় রোহিত দানুর পা থেকে। আর সেই সূত্র ধরে ঘরের মাঠে দূরের প্রতিপক্ষকে একেবারে পুঁতে ফেলল মশাল ব্রিগেড!