indiahood
indiahood

মহিলাদের ফ্রি বাস ভ্রমণ, অনলাইন ও অফলাইনে কীভাবে বানাবেন পিঙ্ক কার্ড? জানুন

1 month ago

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই ১ জুন থেকেই মহিলাদের জন্য চালু হয়েছে সরকারি ফ্রি বাস পরিষেবা (Free Bus Service)। যার দরুন বর্তমানে সমস্ত সরকারি বাস- এসি , নন-এসি, স্বল্প দূরত্বের বা দূরপাল্লার বাসে মহিলাদের কোনও টিকিট কাটতে হচ্ছে না। যদিও শুরুতেই বিনা খরচে যাতায়াতের জন্য পিংক কার্ড (Pink Card For Free Travel) চালুর কথা বলেছিল সরকার (Government Of West Bengal), কিন্তু সেই সময় বিস্তারিত ভাবে কিছুই জানানো হয়নি। তবে এবার সেই কার্ড চালু নিয়ে বড় আপডেট প্রকাশ্যে এল।

রাজ্য সরকারের উদ্যোগে, এখন দিঘা থেকে দার্জিলিং সব জায়গায় ফ্রি-তেই সফর করছেন মহিলারা। বাসে উঠলে এখন শুধু মহিলা যাত্রীদেরকে জিরো ভ্যালু টিকিট দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি রাজ্য বাজেটে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছিলেন যে মহিলাদের নিখরচায় সরকারি বাসে যাতায়াতের জন্য দেওয়া হবে পিঙ্ক কার্ড। আর এই কার্ড থাকলেই সরকারি বাসে উঠে কোনও ভাড়া দিতে হবে না। আমাদের আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনে নিন এই পিঙ্ক কার্ড আপনি কোথা থেকে পাবেন? কী কী নথি লাগবে এর জন্য?

অনলাইনে কীভাবে আবেদন করবেন?

প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে যেতে হবে। সেখানে পিংক কার্ডের জন্য নির্দিষ্ট লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। এরপর একটি পেজ খুললে সেখানে আবেদনকারীর নাম ও মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। এরপর অনলাইন ফর্ম পূরণের জন্য ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় নথি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। সবশেষে সাবমিট করে নিতে হবে, তারপরেই মিলবে একটি রিসিট, আর সেটি যত্ন করে রেখে দিতে হবে ভবিষ্যতের জন্য।

অফলাইনে কীভাবে আবেদন করবেন?

সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের জন্য ‘পিঙ্ক কার্ড’ তৈরির জন্য রয়েছে অফলাইন প্রসেস। এর জন্য নিকটবর্তী বিডিও অফিস, এসডিও অফিস, গ্রাম পঞ্চায়েত বা পুরসভা থেকে আবেদন করা যাবে। গ্রামীণ এলাকার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত অথবা বিডিও অফিসে যেতে হবে এবং শহরাঞ্চলের জন্য পুরসভা অফিসে গিয়ে ফর্ম জমা দিতে হবে। তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথিগুলির জেরক্সও জমা দিতে হবে।

আরও পড়ুন: ‘২৫ লাখ টাকা, দানপাত্র’ দেবরাজের বিরুদ্ধে এবার জগন্নাথ মন্দিরে লুঠের অভিযোগ

কোন কোন নথি জরুরি

পিঙ্ক কার্ড বানানোর জন্য যে যে নথিগুলো দরকার, সেগুলি হল — আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, স্থায়ী বাসিন্দার সার্টিফিকেট, আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং মোবাইল নম্বর। ফর্ম জমা দেওয়ার পর সরকারি আধিকারিকরা এই আবেদন ভেরিফিকেশন করবেন এবং সবশেষে যোগ্য আবেদনকারীদের পিঙ্ক কার্ড ইস্যু করা হবে।

Click here to Read More
Previous Article
এবার কালীঘাট থানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর দায়ের
Next Article
এবার মাত্র ৫ মিনিটে পোঁছাবে পুলিশ! আমেরিকার আদলে বাংলায় চালু জরুরি হেল্পলাইন | 112 Emergencyy Line

Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment