indiahood
indiahood

অবশেষে বড় জয়! হাইকোর্টের রায়ে মিলল চাকরি

3 weeks ago

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অবশেষে কাটল দীর্ঘ আইনি লড়াই। হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে টানা ১৭ বছর পর অবশেষে প্রয়াত বাবার সরকারি চাকরি পেলেন চন্দননগরের আকাশরঞ্জন রায়। কলকাতা হাইকোর্টের মানবিক এবং নজরকাড়া সিদ্ধান্তে খুশি মামললাকারীরা। জানা গিয়েছে, বিচারপতি বিশ্বরূপ চৌধুরী এবং বিচারপতি মধুরেস প্রসাদের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আগামী ৮ সপ্তাহের মধ্যে প্রশাসনকে নিয়োগপত্র পাঠাতে হবে মামলাকারীকে।

ঠিক কী ঘটেছিল?

চন্দননগরের বাসিন্দা, বিকাশরঞ্জন রায় ছিলেন রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল। ২০০৯ সালে হুগলির গুড়াপে কর্মরত অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সেই সময় তাঁর পরিবারের কারও চাকরি পাওয়ার অধিকার ছিল। এদিকে বিকাশরঞ্জনের স্ত্রীর বয়স তখন ছিল ৫২ বছর এবং ছেলে আকাশরঞ্জন ছিল নাবালক। তাই তখন স্বামীর মৃত্যুর ৬ মাসের মধ্যে কমপেশনেট গ্রাউন্ডে আবেদন করে স্ত্রী জানিয়েছিলেন, চাকরির প্রয়োজন। এবং পরে ছেলে সাবালক হলে মা আকাশের নাম চাকরির জন্য সুপারিশ করেন। প্রথমে তিন সদস্যের স্ক্রিনিং কমিটি আকাশরঞ্জনকে চাকরি দেওয়ার সুপারিশ করে। কিন্তু ২০২২ সালে স্বরাষ্ট্র দফতরের বিশেষ সচিব সেই সুপারিশ খারিজ করে দেন। তারপরই শুরু হয় আইনি জট।

আরও পড়ুন: বাদ পড়বে বড়লোক ক্লাবগুলো, এবার দুর্গাপুজোর অনুদান বাড়াবে রাজ্য সরকার?

হাইকোর্টে দায়ের হয়েছিল মামলা

স্বরাষ্ট্র দফতরের নির্দেশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ করে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল তথা স্যাটের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আকাশ কিন্তু সেখানেও তৎকালীন রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছিল। একবার রাজ্য সরকার, একবার স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল (স্যাট)-এ দৌড়ঝাঁপ করেও কোনো লাভ হয়নি। এরপর কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন আকাশরঞ্জন। আর সেই মামলাতেই বড় সুরাহা পাওয়া গেল। দীর্ঘ ১৭ বছর বাবার চাকরি পেল ছেলে আকাশ রঞ্জন।

আরও পড়ুন: মিলবে ১ লক্ষ টাকা, এই জেলার ৩৫ হাজার মহিলাকে লাখপতি বানাবে সরকার

বড় রায় দিলেন বিচারপতি

হাইকোর্টের দুই বিচারপতি মধুরেশ প্রসাদ ও বিচারপতি বিশ্বরূপ চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চে চাকরির মামলার শুনানিতে আকাশের আইনজীবী সুশান্ত পাল সওয়াল করেন, কমপেশনেট অ্যাপয়েন্টমেন্টের ক্লজ ১০ (এএ) অনুযায়ী এই আবেদনের নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এক্ষেত্রে তা হয়নি। ধারা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মীর মৃত্যুর পর ৫ বছর পর্যন্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে কমপেশনেট গ্রাউন্ডে চাকরির জন্য আবেদন করা যায়। এক্ষেত্রে পুলিশ কর্মীর মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের কেউ চাকরিযোগ্য না থাকায় মামলাকারী সাবালক হওয়ার পর বাবার চাকরি পাওয়ার যোগ্য হন। যদিও সরকার এক্ষেত্রে বিরোধিতা করলে ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী আট সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগপত্র দিতে হবে।

Click here to Read More
Previous Article
এবার ২৬০০ যাত্রী নিয়ে ছুটবে দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন, উদ্বোধন করলেন মোদী! | Hydrogen Train
Next Article
“ভারত কোনও প্রতিশ্রুতি রাখে না!” বুলেট ট্রেন প্রকল্প নিয়ে বিস্ফোরক জাপানের প্রাক্তন মন্ত্রী

Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment