indiahood
indiahood

ভারতে প্রথম গঙ্গার উপর কাঁচের কেবল ব্রিজ, কোথায় আছে জানুন

1 week ago

অনন্যা সরকার, ঋষিকেশ: উত্তরাখণ্ডের ঋষিকেশে গঙ্গার ওপরে গড়ে উঠেছে ভারতের প্রথম গ্লাস ফ্লোর ক্যাবল সাসপেনশন ব্রিজ, বজরং সেতু (Bajrang Setu)। এটি এখন পর্যটক ও দর্শনার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। এই কাঁচের মেঝে যুক্ত ক্যাবল সাসপেনশন সেতুটি ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মণঝুলার কাছাকাছি অবস্থিত এবং এটি তপোবনকে পৌড়ি গঢ়ওয়ালের জঙ্ক এলাকার সঙ্গে যুক্ত করেছে। দেশের এই অন্যতম গ্লাস স্কাইওয়াকটি দিয়ে হাঁটলে নীচে দেখা যাবে প্রবহমান গঙ্গাকে, যা দর্শনার্থীদের দেয় এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি। তবে এই রোমাঞ্চ উপভোগ করার জন্য খরচ করতে হবে অর্থ। বজরং সেতুর জন্য প্রবেশ মূল্য বা টিকিট চালু করেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। কত ফি লাগবে এই সেতুতে হাঁটতে আসুন জেনে নিই। 

হাওয়ায় হাঁটার অনুভূতি পান বজরং সেতুতে 

কাঁচের ওয়াকওয়ে যুক্ত বজরং সেতুর দৈর্ঘ্য ১৩২ কিলোমিটার এবং এটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৭০ কোটি টাকা। সেতুর মাঝের অংশটি কংক্রিট দিয়ে তৈরি, যা সাধারণ মানুষ নিত্য যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন। এই মাঝে অংশটি দিয়ে চলাচল করার জন্য কোন ফি দিতে হয় না। তবে দুই ধারার এই কাঁচের মেঝে যুক্ত পথটিতে যেতে কাটতে হবে আলাদা টিকিট।

আরও পড়ুন: আরেকটি এসি লোকাল শিয়ালদহে? রুট প্রসঙ্গে রেলের নয়া বার্তা

বজরং সেতুর প্রবেশ মূল্য কত?

বর্তমানে সরকার অনুমোদিত ফি সিস্টেম অনুযায়ী, দু’ঘন্টার জন্য প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রবেশ মূল্য ১০০ টাকা এবং একই সময়ের জন্য শিশুদের প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা। সেতুর মাঝের কংক্রিটের অংশ দিয়ে যাতায়াত করতে কোনো অর্থ খরচ করতে হবে না। কাঁচের ওয়াকওয়েটি সকাল ৬ টা থেকে রাত দশটা অবধি মানুষের চলাচলের জন্য খোলা থাকে। তবে কংক্রিটের মাঝের অংশটি ২৪ ঘণ্টা চলাচলের জন্য খোলা রাখা হয়। 

আরও পড়ুন: মা ঝাড়ুদার, দু’বছর বয়সে হারান বাবাকে! NEET-এ সফল সঞ্জিত আজ ডাক্তারির ছাত্র

কীভাবে পৌঁছাবেন বজরং সেতু?

বজরং সেতু ঋষিকেশের তপোবন এলাকায় অবস্থিত, ফলে এখানে শহরের প্রধান পর্যটন কেন্দ্রগুলো থেকে সহজেই পৌঁছানো যায়। ঋষিকেশে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা হরিদ্বার এবং দেরাদুন থেকে সড়কপথে এই সেতুতে পৌঁছাতে পারবেন। এই সেতুর নিকটতম প্রধান রেল স্টেশন হল ঋষিকেশ রেল স্টেশন। আর বিমানে আসা যাত্রীদের জন্য নিকটতম বিমানবন্দর হলো দেরাদুনের জলি গ্রান্ট বিমানবন্দর। ঋষিকেশ থেকে দর্শনার্থীরা ট্যাক্সি, অটো-রিকশা ভাড়া করে বা অন্যান্য স্থানীয় পরিবহনের মাধ্যমে লক্ষ্মণ ঝুলা এবং তপোবন এলাকায় সহজেই পৌঁছাতে পারেন।

Click here to Read More
Previous Article
আরেকটি এসি লোকাল শিয়ালদহে? রুট প্রসঙ্গে রেলের নয়া বার্তা
Next Article
মালদায় তৃণমূল ঘনিষ্ঠর ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার কোটি কোটি টাকা, রাত থেকে চলছে গোনার কাজ

Related ভারত Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment