indiahood
indiahood

আগে পড়ুয়াদের ভবিষ্যত, বন্যায় কোমর সমান জল পেরিয়ে স্কুলে ছুটলেন শিক্ষক

1 hour ago

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিগত দিনগুলিতে একটানা ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain) কারণে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। বিশেষ করে পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির কারণে একপ্রকার বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে শিক্ষকের (Teacher) মনকে কি আর বেঁধে রাখতে পারে বৃষ্টির জল? এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়লেও, কোমর অব্দি জল পেরিয়ে গামছা পরে বিদ্যালয়ে পৌঁছলেন এক শিক্ষক। নিজের সুখ স্বাচ্ছন্দের থেকেও তাঁর কাছে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই তো জলে অর্ধেক ডুবে গিয়েও বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে ছুটেছেন তিনি। এই দৃশ্য পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ের।

শিক্ষকের কীর্তি দেখে হা সকলে!

একটানা ভারী বৃষ্টির কারণে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক এলাকা। সেই তালিকায় একেবারে প্রথমেই রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়। এই অঞ্চলের মান্দার গ্রাম একপ্রকার জলের তলায়। বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে হয়েছে বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীকে। এমতাবস্থায় জলবন্দী হয়ে পড়ায় নৌকায় করে যাতায়াত করতে হচ্ছে বাকিদের। তবে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও পড়ুয়াদের পড়াশোনায় যাতে কোনও রকম কমতি না থাকে সেজন্য কোমর অব্দি জল পেরিয়ে বিদ্যালয় পৌঁছলেন শিক্ষক।

 

পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুব্রত দাস। তিনি একটানা বৃষ্টির কারণে একপ্রকার বানভাসি মান্দার গ্রামের বাসিন্দা। সম্প্রতি, প্রবল বৃষ্টির কারণে রাস্তাঘাট জলের তলে চলে যাওয়ায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে কিছু দূর এসে নিজের জামা কাপড় ভিজে যাওয়ার আশঙ্কায় সেগুলি খুলে গামছা পরে এবং স্যান্ডো গেঞ্জি গায়ে দিয়ে কোমর সমান জল পেরিয়ে নিজের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছতে দেখা গিয়েছে ওই শিক্ষককে। সেই দৃশ্য ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও।

আরও পড়ুন: ১৫ আগস্টের মধ্যে সেনসাসের সেলফ এনিউমারেশন করেননি? এবার কী হবে জানুন

এ প্রসঙ্গে শিক্ষক সুব্রত দাস জানান, একটানা বৃষ্টির কারণে তাঁর গ্রাম মান্দারের একাধিক এলাকা জলের তলায় চলে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাড়ি থেকে বেরোতে পারছিলেন না তাঁরা। তবে শিশুদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে জল পেরিয়েই বিদ্যালয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর কথায়, “ঝড় জল বৃষ্টির মধ্যে শিশুদের পড়াশোনা আটকে থাকতে পারে না। কেন এর জন্য আমরা তাঁদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেব?” সুব্রত বাবুর একেবারে স্পষ্ট বক্তব্য, যত কষ্টই হোক তিনি এই জল পেরিয়েই শিশুদের পড়াতে বিদ্যালয়ে যাবেন। শিক্ষকের এমন মানবিক রূপ দেখে একেবারে তাজ্জব হয়ে গিয়েছেন অনেকেই। নেট দুনিয়াতেও প্রশংসায় ভেসেছেন উঠেছে সুব্রত বাবু।

Click here to Read More
Previous Article
ওড়িশার হকি স্পনসরশিপের পথেই হাঁটল বাংলা!
Next Article
শীঘ্রই ট্র্যাকে নামবে ৫০টি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন! এবার ২৪ কোচ? বড় পরিকল্পনা রেলের

Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment