indiahood
indiahood

পরীক্ষা বাতিলে চাকরিহারা হাজার হাজার, আরও চাপে ঝাড়খণ্ডের সোরেন সরকার

2 hours ago

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের চিত্র এবার ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand)। ছাত্রদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর সোরেন সরকার সিজিএল এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু তাতে চাকরি প্রার্থীরা খুশিতে আত্মহারা হলেও এই পরীক্ষার মাধ্যমে চাকরি পাওয়া প্রায় ২০০০ কর্মচারীদের মধ্যে বইছে ক্ষোভের আগুন। বিপুল সংখ্যক কর্মী এদিন সবিচালয়ের বাইরে জড়ো হয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বিপাকে হেমন্ত সোরেন সরকার

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি ছিল। এই অভিযোগে গত একমাস ধরেই চলছে রাঁচিতে ছাত্র আন্দোলন। এমনকি তারা বিধানসভা অভিযানের ডাকও দিয়েছিল। তবে সেখানে ছাত্রদের উপর পুলিশের হামলার ঘটনা ঘটে। ছাত্রদের দাবি ছিল, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা এবং সিজিএল পরীক্ষা বাতিল করার। অবশেষে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই পরীক্ষা দুটি বাতিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ২০১৪ সাল থেকে টিডিপিএল-র মাধ্যমে পরিচালিত সমস্ত পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশি হলেও চিন্তার ভাঁজ পড়েছে এই পরীক্ষার মাধ্যমে নিযুক্ত হওয়া কর্মচারীদের কপালে।

পশ্চিমবঙ্গে যেমন ২০১৬ সালের এসএসসি প্যানেল বাতিল হওয়ার কারণে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকা নিজেদের চাকরি হারিয়েছিল, ঠিক একই চিত্র এবার ঝাড়খণ্ডে। ছাত্রদের আন্দোলনের ইতি টানলেও এবার কর্মচারীরা পথে নামবেন বলেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। একজন জানান, আদালতের নির্দেশ মেনেই তাদেরকে নিয়োগ করা হয়েছিল। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের সিদ্ধান্ত আর সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি অনুমোদনের পর তারা নিয়োগ পেয়েছেন। তাই পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত সরকারের অবিচার। এমনকি কিছু কিছু ক্যান্ডিডেট এও জানান, জেএসএসসি সিজিএল-এ চাকরি পাওয়ার পর আগের চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন। তাই এখন তাদের কর্মসংস্থান প্রশ্নের মুখে।

আরও পড়ুন: ১৭ তারিখের পর টাকা না ঢুকলেই জমা দিন এই ফর্ম, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় খবর

তবে মুক্তি মোর্চা সরকারের দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার জন্যই নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সিআইডি তদন্তে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। পাশাপাশি সরকার একটি কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই কমিটি ২০১৪ সালের পর অনুষ্টিত নিয়োগ পরীক্ষাগুলির অনিয়ম সংক্রান্ত তথ্য তদন্ত করবে। তবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চাকরি পাওয়া তরুণ-তরুণীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন উঠছে সবথেকে বড় প্রশ্ন। একদিকে যেমন পরীক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের তদন্ত এবং স্বচ্ছ নিয়োগের দাবি জানানো হচ্ছে, অন্যদিকে নির্বাচিত প্রার্থীরা তাদের চাকরি বাঁচানোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন দেখার সরকার এই পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয়।

Click here to Read More
Previous Article
এবার বাংলাতেও হাম দো হামারা দো! দুইয়ের বেশি সন্তান নিলে হবে শাস্তি? | West Bengal | Hum Do Humara Do
Next Article
বিমানবন্দরে ফের প্রবল জনরোষের মুখে সৌগত রায়!

Related ভারত Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment