indiahood
indiahood

PoK-র নির্বাচনে এলোপাথাড়ি গুলি পাক রেঞ্জার্সদের, ফায়ারিংয়ে মৃত কমপক্ষে ১৯!

1 week ago

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আবারও একবার রক্তারক্তি ঘটনা ঘটে গেল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। নির্বাচনকে ঘিরে ঝরল অনেকের রক্ত। রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের (PoK) রাওয়ালকোটে সোমবার বিক্ষোভকারীদের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৭ থেকে ১৯ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে, সেইসঙ্গে অনেকে আহত ও নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর। এদিকে মৃতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পাক সেনার গুলিতে নিহত বহু সাধারণ মানুষ

ইতিমধ্যে বিক্ষোভকারীরা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর এই গুলিবর্ষণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, মুসলিম উম্মাহ ও জাতিসংঘের অবিলম্বে হস্তক্ষেপের দাবি করেছেন। বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় দুই মাসে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিতে মোট ৯১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। যৌথ আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (JAAC) ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর হাজার হাজার মানুষ মুজাফফারাবাদের দিকে মিছিল করার প্রস্তুতি নিলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী গুলি চালায়।

আসলে সোমবার, ২৭শে জুলাই, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বেশ কয়েকটি স্থানে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। এরপর থেকেই ক্রমে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ সামনে আসতে থাকে।

বাড়ছে বিক্ষোভ

৫২ দিনের বিক্ষোভের পর এই ঘটনায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বিক্ষোভকারীরা গতকাল আটককৃতদের মুক্তি, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের বৃহত্তর দাবিগুলো মেনে নেওয়ার দাবি জানাচ্ছিল। রাওয়ালকোটের পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা ও ভুক্তভোগীরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং গণমাধ্যমকে এই ঘটনার প্রতি মনোযোগ দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। পরিস্থিতি এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে হতাহতের সংখ্যা দেখে বিক্ষোভকারী এবং জরুরি পরিষেবা কর্মীরাও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন।

কেউ কেউ বলছেন, এই সবকিছুর মাঝে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নীরবতা বিরাজ করছে। কোনো মঞ্চেই কাশ্মীরিদের জায়গা দেওয়া হচ্ছে না। ফার্স্ট পোস্টের প্রবীণ সাংবাদিক শ্রীময় তালুকদার লিখেছেন, ‘পাকিস্তানি সেনাবাহিনী মানুষ হত্যা করছে, আর পাকিস্তানি গণমাধ্যম নীরব। স্পষ্টতই, সেনাবাহিনীর মোকাবিলা করার সাহস পাকিস্তানি গণমাধ্যমের নেই। তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে। মজার বিষয় হলো পশ্চিমা গণমাধ্যম, বিশেষ করে সংবাদ সংস্থাগুলোর নীরবতা, যেখানে দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সংবাদে নিয়োজিত অধিকাংশ সাংবাদিকই পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত।’

Click here to Read More
Previous Article
শ্রীলঙ্কা সিরিজের দল ঘোষণা করল ভারত, এন্ট্রি নতুন প্লেয়ার সহ বিধ্বংসী অলরাউন্ডারের
Next Article
NEET আন্দোলন করে জেলে, মামলা প্রত্যাহার করল দুই রাজ্যের বিজেপি সরকার

Related আন্তর্জাতিক Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment