indiahood
indiahood

নিজে খান ৫ টাকার, পথকুকুরদের জন্য দেন ৫০০ টাকা, জানুন কলকাতার বৃদ্ধের করুণ কাহিনী

1 month ago

অনন্যা সরকার, কলকাতা: কলকাতার লেক মলের কাছে ফুটপাতের ধারে প্রায় প্রতিদিনই দেখতে পাবেন এই বৃদ্ধকে। শীর্ণকায় শরীর, খুব সাধারণ পোশাক-আশাক, সামনে রাখা ছোট একটা কিবোর্ড আর মুখে মাউথ অর্গ্যান। গান আর সুরের মূর্ছনায় মুগ্ধ করছেন পথচলতি মানুষদের। কেউ খুশি হয়ে বাড়িয়ে দিচ্ছে দু-পাঁচ টাকা। ইনি হলেন ৭৩ বছরের সুব্রত দাস (Subrata Das), যিনি নিজে সরকারি ক্যান্টিন থেকে ৫ টাকার খাবার খান, আর ৫০০ টাকা দিয়ে রাস্তার কুকুরদের (Stray Dogs) পেট ভরান রোজ। বৃদ্ধ সুব্রত দাসের এই পশুপ্রেম ও আত্মত্যাগের কাহিনী চোখে জল আনবে সবার। 

পরিবার পরিত্যাগ করাতে আঁকড়ে ধরেছেন চারপেয়েদের

সুব্রত দাস আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন, কিন্তু বয়সের ভারে এখন আর তা পারেন না। তাই এখন তিনি রাস্তায়, ফুটপাত বসে সংগীত পরিবেশন করেন। সেখান থেকে যা আয় হয় তার সিংহভাগটাই চলে যায় কুকুরদের সেবায়। ২০১৬ সালে পারিবারিক ঝামেলায় সুব্রত দাসকে তাঁর ঢাকুরিয়ার বাড়ি ছাড়তে হয়। বিক্রি হয়ে যায় তাঁর একমাত্র সম্বল অটোটিও। 

ছোটবেলায় অল্পবিস্তর গান বাজনা শিখেছিলেন, আজ সেই শিল্পকেই তিনি প্রাণীদের সেবার কাজে লাগিয়েছেন। গত ২ বছর ধরে রাস্তায় বসে গান-বাজনা করে অর্থ উপার্জন করছেন সুব্রত দাস। সুব্রত দাস বিয়ে করেননি, সংসার বলতে কিছুই নেই তার। বর্তমানে থাকেন এক পশুপ্রেমীর বাড়িতে। তবে রাস্তার অবলা জীবগুলোই তার নিজের পরিবার হয়ে উঠেছে। 

আরও পড়ুনঃ দীঘা–আসানসোল নতুন AC প্রিমিয়াম বাস পরিষেবা শুরু, জানুন সময়সূচি ও রুট

রোজ রাত ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ফুটপাতে গান করেন, তারপর পথপুকুরদের খাইয়ে বাড়ি ফেরেন। ঘুমোতে ঘুমোতে রাত ৩টে বেজে যায়। এটিই তার রোজকার রুটিন। এইভাবেই কেটে যাচ্ছে সুব্রত দাসের দিনগুলো।আজকের এই স্বার্থপর দুনিয়ায় যেখানে মানুষ নিজের পরিবারকেই দেখেনা, সেখানে সুব্রত দাসের পথকুকুরদের প্রতি এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা চোখের কোনায় জল এনে দেয়। 

Click here to Read More
Previous Article
দীঘা–আসানসোল নতুন AC প্রিমিয়াম বাস পরিষেবা শুরু, জানুন সময়সূচি ও রুট
Next Article
ছুটির দিনে কাজে দ্বিগুণ পারিশ্রমিক, শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আনল রাজ্য

Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

Comments (0)

    Leave a comment